কাশি হলে কোন ফলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত?

কাশি হলে কোন ফলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত?

কাশি হলে সাধারণত ঠান্ডা বা ফ্রিজে রাখা ফল, অতিরিক্ত মিষ্টি ফল এবং হিস্টামিন ও সাইট্রিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলো গলার প্রদাহ বাড়ায় এবং কফ বা শ্লেষ্মার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 


সর্দি ও কাশির সময় যে ফলগুলি এড়িয়ে চলতে হবে:

টক জাতীয় ফল: কমলা, লেবু বা পাতিলেবুতে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে, যা কাশির সময় গলায় জ্বালা ও অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। 

কলা: এটি কফ বা শ্লেষ্মা উৎপাদন বাড়াতে পারে, যা নাক বন্ধ হওয়া বা বুকে কফ জমার সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আঙুর: এতে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, যা কফকে ঘন করে তোলে। 

আনারস এবং আম: এগুলোর উচ্চ অম্লতা গলা এবং শ্বাসনালীতে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। 

লেবু জাতীয় ফল এবং কমলা: যদিও এগুলিতে ভিটামিন সি থাকে, তবে অতিরিক্ত অম্লতার কারণে এগুলি গলা ব্যথা বা গলার অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

ঠান্ডা বা ফ্রিজে রাখা ফল: খুব ঠান্ডা বা ফ্রিজে রাখা তরমুজ, শসা, আপেল ইত্যাদি খাওয়া এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দিতে পারে এবং কফ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বেরি জাতীয় ফল: এগুলো শ্লেষ্মা বা কফকে ঘন করে তুলতে পারে, যার ফলে কাশি দিয়ে তা বের করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কাঁচা আম এবং কাঁচা পেয়ারা: এগুলো কাশি বাড়িয়ে দিতে পারে।

শসা এবং ঠান্ডা তরমুজ: এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং শীতল অনুভূতি থাকে, যা কাশির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। 


কাশি হলে কী করবেন? 

এই সময়ে আপেল, পেয়ারা বা পেঁপে সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় (ফ্রিজে নয়) খাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, কাশির ঝুঁকি কমাতে প্রচুর পরিমাণে হালকা গরম পানি এবং হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

যখন আপনার সর্দি বা ফ্লু হয়, তখন সাধারণত সেইসব ফল এড়িয়ে চলাই ভালো যা কফ বা শ্লেষ্মা বাড়ায় এবং গলার অস্বস্তি বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে, কলা (যা শ্লেষ্মা বাড়ায়), তরমুজ এবং শসা (প্রকৃতিগতভাবে শীতল), আঙুর এবং লেবু জাতীয় ফল (যেমন কমলা, লেবু - যা অতিরিক্ত অম্লতার কারণে গলার অস্বস্তি বাড়াতে পারে) এড়িয়ে চলা উচিত।


বিশেষ পরামর্শ:

ফল খাওয়ার আগে সেগুলোকে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে আসুন।

টিনজাত বা প্রিজারভেটিভযুক্ত ফলের রস এড়িয়ে চলুন ।

যদি আপনার তীব্র কাশি বা অ্যালার্জি থাকে, তবে আনারস, স্ট্রবেরি, লিচু এবং আঙুর থেকে দূরে থাকাই ভালো।

দ্রষ্টব্য: এই পরামর্শগুলো সাধারণ স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য।