ডেঙ্গু থেকে বাঁচার কার্যকর উপায়

ডেঙ্গু থেকে বাঁচার কার্যকর উপায়


ডেঙ্গু থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এডিস মশার কামড় থেকে দূরে থাকা এবং বাড়ির আশেপাশে পরিষ্কার পানিতে মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা। ঘরের ভেতরে ও বাইরে লম্বা হাতার পোশাক পরা, দিনের বেলায় মশারি ব্যবহার করা এবং নিয়মিত জমে থাকা পানি পরিষ্কার করার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। 


মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করার উপায়: 

মশারির ব্যবহার: দিন বা রাত, ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে রাখতে হবে, এটি বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 

সঠিক পোশাক নির্বাচন: লম্বা হাতার শার্ট এবং শরীর ঢাকা লম্বা প্যান্ট পরুন। হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক বেশি উপযুক্ত। 

মশা তাড়ানোর ক্রিম: শরীরের উন্মুক্ত অংশে মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

দরজা ও জানালার জাল: মশা প্রবেশ আটকাতে দরজা ও জানালায় মিহি জাল বা মিহি জালের পর্দা লাগানো উচিত। 


মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করার উপায়: 

পানি জমতে দেবেন না: ফুলের টব, নারকেলের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র বা ক্যানে পাঁচ দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া উচিত নয়। 

পাত্র পরিষ্কার রাখুন: বাড়ির টাব বা পাত্রে জমে থাকা পানি সপ্তাহে অন্তত একবার পুরোপুরি বদলে ফেলা উচিত এবং এর ভেতরটা ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কার করা উচিত। 

জমে থাকা পানি ঢেকে রাখুন: বাড়ির পানির ট্যাঙ্ক, ড্রাম বা বালতি সবসময় একটি আঁটসাঁট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখা উচিত। 




ডেঙ্গু থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো এডিস মশার কামড় এড়ানো এবং আশেপাশে মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা।


জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলুন: ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, পুরনো টায়ার, ছাদ বা অন্যান্য পাত্রে পানি জমতে দেবেন না। পানির পাত্রগুলো নিয়মিত খালি ও পরিষ্কার করুন।

মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করুন: লেবেলের নির্দেশাবলী অনুযায়ী ত্বকে ব্যবহারযোগ্য স্প্রে ব্যবহার করুন।

শরীর ঢেকে রাখুন: বাইরে যাওয়ার সময় লম্বা হাতার শার্ট এবং লম্বা প্যান্ট পরা ভালো।

আপনার বাড়ি সুরক্ষিত রাখুন: জানালা ও দরজায় জাল ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে মশারি ব্যবহার করুন।

দিনের বেলাতেও সতর্ক থাকুন: ডেঙ্গুর এডিস মশা দিনের বেলাতেও কামড়াতে পারে।

আপনার বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন: মশার বংশবৃদ্ধির জন্য ছোট জলাশয়গুলো নিয়মিত পরীক্ষা করুন। 

জ্বর হলে সতর্ক হন: ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো হলো জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, বমি বমি ভাব বা ফুসকুড়ি। জ্বর হলে আপনার অভিভাবককে জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন।


পেটে তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, অস্বাভাবিক রক্তপাত, খুব দুর্বল বা টলমল করা, অথবা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।