Thursday 20th of January 08:52:49pm

Saturday Amol Bangla-শনিবার দিন ও রাতের ইবাদত

Saturday amol bangla-


শনিবার দিন ও রাতের ইবাদত


Sonibar diner amol


শনিবার দিনের ইবাদত

হাদীস শরীফে আঁ হযরত (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, “যদি কোন ব্যক্তি শনিবার দিনে এই নিয়মে চারি রাকআত নামায আদায় করে যে, প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার করে সূরা কুলহু আল্লাহু আহাদ পাঠ করে তাহলে করুণাময় আল্লাহ পাক তার আমলনামায় প্রতিটি শব্দের বিনিময়ে এক হজ্জ্ব ও এক ওমরার সওয়াব দান করবেন। তাছাড়া প্রত্যেক শব্দের বিনিময়ে এক বছরের নফল রোজা ও রাত্রের ইবাদত-বন্দেগীর সওয়াব লাভ করবে।” আর নিয়মিত এই নামায আদায়কারী হাশরের মাঠে হাজার পয়গাম্বর ও হাজার শহীদের সঙ্গে আল্লাহ্ পাকের আরশের ছায়ায় স্থান লাভ করবে।


শনিবার রাতের ইবাদত

হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে যে, বিশ্বনবী (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি শনিবার রাতে মাগরিবের নামায ও ইশার নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে দুই রাকআত নামায আদায় করে, তার জন্য দয়াময় আল্লাহ পাক জান্নাতের মধ্যে একটি মনোহর বালাখানা তৈরি করিয়ে দেবেন । ইহুদি ধর্মের প্রতি তার আসক্তি থাকবে না এবং সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা পাবার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।



---

আরো পড়ুন..


নামাযী গুনাহ করে কেন? 


এখানে কেউ কেউ সন্দেহ করে যে, অনেক মানুষকে নামাযের অনুবর্তী হওয়া সত্ত্বেও বড় বড় গুনাহে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। এটা আলোচ্য আয়াতের পরিপন্থী নয় কি?

এর জবাবে কোন কোন মুফাস্সির কুরআন ব্যাখ্যা করে বলেন : আলোচ্য আয়াত  থেকে এতটুকু জানা যায় যে, নামায নামাযীকে গুনাহ্ করতে বাধা প্রদান করলে সে তা থেকে বিরতও হবে, এটা জরুরি নয়। কোরআন হাদীসও তো সকল মানুষকে গুনাহ করতে নিষেধ করে। কিন্তু অনেক মানুষ এই নিষেধের প্রতি ভ্রূক্ষেপ না করেই গোনাহ্ করতে থাকে। তফসীরের সার সংক্ষেপে এই ব্যাখ্যাই অবলম্বন করা হয়েছে।

কিন্তু অধিকাংশ তফসীরবিদ বলেন: নামাযের নিষেধ করার অর্থ শুধু আদেশ প্রদান করা নয়; বরং নামাযের মধ্যে এই বিশেষ প্রতিক্রিয়াও নিহিত আছে যে, যে ব্যক্তি নামায পড়ে, সে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক প্রাপ্ত হয়। যার এরূপ তাওফীক হয় না, চিন্তা করলে প্রমাণিত হবে যে, তার নামাযে কোন ত্রুটি রয়েছে এবং সে নামায কায়েম করার যথার্থ হক আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে । এক হাদীস থেকে এই বিষয়বস্তুর সমর্থন পাওয়া যায় ।



(ওয়া লাযিকরুল্লাহি আকবারু ওয়ালিল্লাহি ইয়া’লামু মা তাসমায়ুন)

অর্থাৎ, আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি তোমাদের সব ক্রিয়াকর্ম জানেন। এখানে আল্লাহর স্মরণ”-এর এক অর্থ এই যে, বান্দা নামাযে অথবা নামাযের বাইরে আল্লাহকে স্মরণ করে, তা সর্বশ্রেষ্ঠ। দ্বিতীয় অর্থ এরূপও হতে পারে যে, বান্দা যখন আল্লাহকে স্মরণ করে তখন আল্লাহ তাআলা ওয়াদা অনুযায়ী স্মরণকারী বান্দাকে ফেরেশতাদের সমাবেশে স্মরণ করেন।



“আল্লাহর এই স্মরণ ইবাদতকারী বান্দার সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত।" এ স্থলে অনেক সাহাবী ও তাবেঈন থেকে এই দ্বিতীয় অর্থই বর্ণিত আছে । ইবনে জরীর ও ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) একেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এই অর্থের দিক দিয়ে এতে এদিকেও ইঙ্গিত আছে যে, নামায পড়ার মধ্যে গুনাহ থেকে মুক্তির আসল কারণ হলো আল্লাহ স্বয়ং

নামাযীর দিকে মনোনিবেশ করেন এবং ফেরেস্তাদের সমাবেশে তাকে স্মরণ করেন । এর কল্যাণেই সে গুনাহ থেকে মুক্তি পায়।





--

Sonibar diner amol, Sonibar diner dua, Shonibar diner amol